ব্রেকিং:
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসায় চলমান বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও একমাস বাড়ানো হয়েছে। তবে এ সময় খোলা থাকবে সব সরকারি-বেসরকারি অফিস আদালত।
  • বৃহস্পতিবার   ১৭ জুন ২০২১ ||

  • আষাঢ় ২ ১৪২৮

  • || ০৫ জ্বিলকদ ১৪৪২

সর্বশেষ:
দেশে জরুরি ব্যবহারে জনসনের টিকার অনুমোদন ‘পোশাক শিল্পের উৎপাদন অব্যাহত রাখতে ঋণ দিয়েছে সরকার’ পঞ্চগড়ে ২০০ বস্তা চাসহ ট্রাক আটক জিয়াউর রহমান হাজার হাজার গাছ কেটে ফেলেছিলেন- তথ্যমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘের জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু

– দৈনিক ঠাকুরগাঁও নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৬ মে ২০২১  

রবিবার থেকে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দেশে ফিরতে পারবেন ভারতে চিকিৎসা ও অন্যান্য প্রয়োজনে গিয়ে আটকেপড়া বাংলাদেশি পাসপোর্টযাত্রীরা। 

অবশ্য এসব যাত্রীরা কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশন থেকে এনওসি (নো অবজেকশন সার্টিফিকেট বা অনাপত্তিপত্র) নিয়ে তারপরে দেশে আসতে পারবেন। এরপর তাদের ইমিগ্রেশন, কাষ্টমস এবং স্বাস্থ্য বিভাগের আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্থানীয় দুইটি আবাসিক হোটেলে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে নিজ খরচে রাখা হবে।

এদিকে ঈদের তিনদিনের ছুটি শেষে রবিবার থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দুইদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চালু হয়েছে। ভারতীয় ট্রাকগুলো আমদানিকৃত পণ্য নিয়ে বন্দরে প্রবেশের পর জীবাণুনাশক স্প্রে করা হচ্ছে। সেই সাথে ট্রাকের চালককেও স্যানিটাইজ করা হচ্ছে। চালকরা যাতে বন্দরের বাইরে যেতে না পারেন সেজন্য পানামা পোর্ট কর্তৃপক্ষ নজরদারি বাড়িয়েছেন। প্রতিদিন এই বন্দর দিয়ে দুই শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক প্রবেশ করছে। রবিবার সকাল ১১টায় ভারত থেকে পণ্য বোঝাই একটি ট্রাক বন্দরের প্রবেশের মধ্যে দিয়ে দুদেশের মধ্যে বাণিজ্য কার্যক্রম শুরু হয়।

হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেকেন্দার আলী জানান, করোনার কারণে গত বছরের মার্চ থেকে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রী পারাপার বন্ধ আছে। সম্প্রতি গত ১২ মার্চ সরকার ভারতে অবস্থান করা বাংলাদেশি পাসপোর্টযাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তারই আলোকে রবিবার থেকে ভারতে অবস্থান করা বাংলাদেশি পাসপোর্টযাত্রীরা কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনের এনওসি নিয়ে হিলি চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরে আসতে পারবেন। ফিরে আসা এসব যাত্রীদের ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হবে। এদের মধ্যে অনেকে চিকিৎসা ও অন্যান্য প্রয়োজনে ভারতে গিয়ে আটকা পড়েন।

তিনি আরও জানান, শুধুমাত্র ভারতে অবস্থান করা বাংলাদেশি পাসপোর্টযাত্রীরা দেশে ফিরতে পারবেন। কিন্তু বাংলাদেশী কোন পাসপোর্টযাত্রী বা বাংলাদেশে অবস্থান করা ভারতীয় কোন পাসপোর্টযাত্রী ভারতে প্রবেশ করতে পারবেন না।

– দৈনিক ঠাকুরগাঁও নিউজ ডেস্ক –