ব্রেকিং:
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসায় চলমান বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও একমাস বাড়ানো হয়েছে। তবে এ সময় খোলা থাকবে সব সরকারি-বেসরকারি অফিস আদালত।
  • বৃহস্পতিবার   ১৭ জুন ২০২১ ||

  • আষাঢ় ২ ১৪২৮

  • || ০৫ জ্বিলকদ ১৪৪২

সর্বশেষ:
দেশে জরুরি ব্যবহারে জনসনের টিকার অনুমোদন ‘পোশাক শিল্পের উৎপাদন অব্যাহত রাখতে ঋণ দিয়েছে সরকার’ পঞ্চগড়ে ২০০ বস্তা চাসহ ট্রাক আটক জিয়াউর রহমান হাজার হাজার গাছ কেটে ফেলেছিলেন- তথ্যমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘের জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান

পরিবেশকে বাঁচাতে হলে বন রক্ষার বিকল্প নেই- মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

– দৈনিক ঠাকুরগাঁও নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১১ জুন ২০২১  

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, পরিবেশকে বাঁচাতে হলে বন রক্ষার বিকল্প নেই। এজন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। যারা বনের জমি অবৈধভাবে দখল শিল্প কারখানা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, নির্মাণ করছে তা উচ্ছেদ করতে হবে। 

বৃহস্পতিবার গাজীপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে কালিয়াকৈর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ‘বনের জমি অবৈধ জবরদখল মুক্তকরণ পরিবেশ দূষণ, নদী দখল, দূষণ রোধকল্পে’ বিশেষ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, যারা কুঁড়েঘর নির্মাণ করে আছে সেখান থেকে নয়, নির্মাণ করা শিল্প-কারখানা, বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, হাইরাইজ বিল্ডিং থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করতে হবে। আর যেসব গরিব-অসহায় লোকেরা বনের জমিতে বাড়ি বানিয়ে আছে তাদের বিকল্প ব্যবস্থা না করে উচ্ছেদ করবেন না।

মন্ত্রী বলেন, ১৯৮৭ সনে বনের গেজেট হয়েছে। বন বিভাগের জমির সঙ্গে ব্যক্তিগত জমির সীমানা জটিলতাসহ নানা সমস্যা রয়েছে। দেখা যায় সিএসএ বন বিভাগের নামে এসএ রেকর্ড ব্যক্তির নামে আবার এস এ, আরএসএ একটি জমির অর্ধেক বনবিভাগের নামে বাকি অর্ধেক ব্যক্তির নামে এরকম নানা জটিলতা রয়েছে। এসব জটিলতা সমাধানের জন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি আরো বলেন, যারা নদী দখল করে আছেন তাদেরকেও উচ্ছেদ করা হবে। বর্তমান সরকার কাউকে ছাড় দিচ্ছে না। যারা অপরাধ করবে, দখল করবে তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। এছাড়া বেশির ভাগ কারখানার কোনো ইটিপি প্ল্যান নেই। যাও আছে তা বন্ধ করে রাখা হয়। যার কারণে কারখানার দূষিত তরল বর্জ্য নদী-নালা, খাল-বিলে গিয়ে পড়ে। এতে নদীর পানি দূষিত হচ্ছে। এসব বিষয়েও নজর দেয়া দরকার। এখানে বিভিন্ন শিল্প কারখানার প্রতিনিধিগণ আছেন। আপনারা প্রতিটি কারখানায় ইটিপি প্ল্যান সচল রাখুন। যাতে নদী-নালা খাল বিলের পানি দূষিত না হয়।

গাজীপুরের ডিসি এসএম তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্ব সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়র যুগ্মসচিব আব্দুর রাজ্জাক, বন সংরক্ষক আর এফ এম মুনিরুল ইসলাম, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ইউছুফ, সহকারী বনসংরক্ষক সাজেদুল ইসলাম, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (বন্য প্রাণী) কাজল তালুকদার প্রমুখ।

– দৈনিক ঠাকুরগাঁও নিউজ ডেস্ক –