ব্রেকিং:
হাটবাজার, দোকানপাট ও শপিংমল খোলা রাখার সময় বাড়ানো হয়েছে। সময় এক ঘণ্টা বাড়িয়ে রাত আটটা পর্যন্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। যা এতদিন সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ছিল। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ করোনার উপসর্গ নিয়ে কুড়িগ্রামে পুলিশ সদস্যের মৃত্যু পানিবন্দি ৩০ লাখ মানুষকে খাদ্য সহায়তা অব্যাহত:ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ৪৮ ঘণ্টা আগেই রংপুর সিটিতে পশুর বর্জ্য অপসারণ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আরো ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ৩৫৬ জন।
  • মঙ্গলবার   ০৪ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ১৯ ১৪২৭

  • || ১৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

সর্বশেষ:
বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জনগণ সব সম্ভাবনা হারিয়ে ফেলে- প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁওয়ে রত্নাই সীমান্তের নাগর নদীতে বাংলাদেশির লাশ ভিয়েনায় `বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট` উদ্বোধন দেশবাসী নিরাপদে ঈদ উদযাপন করেছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশে ধর্ম যার যার উৎসব কিন্তু সবার- তথ্যমন্ত্রী
৮২

রানিশংকৈলে সড়কের বেহাল দশা: ভোগান্তিতে ৫শ’ পরিবার

– দৈনিক ঠাকুরগাঁও নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৪ জুলাই ২০২০  

ঠাকুরগাঁওয়ের রানিশংকৈল উপজেলার আরডিআরএস মোর থেকে হাজীপাড়া পর্যন্ত সড়কটির বেহাল দশায় জনদূর্ভোগ চরমে পৌছেছে। চলতি বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই ভারি বর্ষণ হওয়ায় এবং পানি নিষ্কাশনের সু-ব্যবস্থা না থাকায় সড়কটিতে সৃষ্টি হয়েছে বড় দুটি গর্তের। এতে সড়কটি দুটি জায়গায় বিচ্ছিন্ন হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে দু’পাশের প্রায় ৫শ পরিবার।

সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দক্ষিণ সন্ধ্যারই ও হাজিপাড়া শেখ রাসেল স্টেডিয়ামসহ হোসেনগাঁও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাতায়াতের একমাত্র এ সড়কটি একমাস যাবত এভাবেই বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। অভিযোগের সুরে এমনটাই জানা গিয়েছে স্থানীয়দের মুখ থেকে।

তারা জানান, এক মাস আগে প্রচন্ড বৃষ্টিপাতের কারণে পানির স্রোতে পাকা সড়কটি ভেঙ্গে গিয়ে দুটি স্থানে বড় বড় গর্তে পরিণত হয়েছে এবং দুটিতেই সড়কটি একেবারে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে । এতে পথচারীদের যেমন সমস্যা হচ্ছে অপরদিকে দুট গ্রামের প্রায় পাঁচ শতাধিক পরিবারও বিচ্ছিন্ন জীবন যাপন করছে। মেয়র বা স্থানীয় কাউন্সিলরদের কেউ কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেনা এটি মেরামতের।

মোবারক নামের এক সবজি ব্যাবসায়ী জানান,  গত একমাস যাবত রাস্তাটি দিয়ে চলাচল করা যায় না। বিকল্প পথে অনেক দুর দিয়ে ঘুরে বাজারে যেতে হয়। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে এমনিতেই বাজারে বসার সময় পাই থুবই কম তার ওপর আবার যাতায়াতের এ অবস্থা। তবুও আমাকে সময় অপচয় করে অনেকটা রাস্তা ঘুরে যেতে হয় সবজি বিক্রি করতে। রাস্তাটির মেরামতের দ্রুত কোন পদক্ষেপ নিলে আমার মত অন্যান্য ব্যাবসায়ী ও দু গ্রামের মানুষরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে।

পৌর কাউন্সিলর সাদেকুল জানান, সড়কটিতে আপাদত মেরামত করতে প্রচুর পরিমাণে রাবিস মাটি ও খোয়া লাগবে। বিষয়টি আমাদের মেয়রকে জানিয়েছি। তবে আমার করার কিছুই নাই। 

এবিষয়ে পৌর মেয়র আলমগীর সরকারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

– দৈনিক ঠাকুরগাঁও নিউজ ডেস্ক –
ঠাকুরগাঁও বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর