• মঙ্গলবার   ২৭ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ১১ ১৪২৭

  • || ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সর্বশেষ:
জাতিকে বিভ্রান্ত করতে পারে এমন কোনো সংবাদ পরিবেশন না করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের সংকটের কারণে ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে বিএনপির রাজনীতি আমি মারা গেলে যেন বাবা মায়ের পাশে সমাহিত হয়-জিএম কাদের কিশোরগঞ্জে সিঙ্গেরগাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন উদ্ধোধন দূর্গাপূজা উপলক্ষে রসিক কাউন্সিলরের বস্ত্র বিতরণ

সেনাবাহিনী মানুষের ভরসা ও বিশ্বাসের প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী

– দৈনিক ঠাকুরগাঁও নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২০  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সেনাবাহিনী যেন যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারে সে লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। 

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সশস্ত্র বাহিনীকে গড়ে তোলার পদক্ষেপ নিয়ে তিনি একটি প্রতিরক্ষা নীতিমালা তৈরি করে দিয়ে যান। স্বাধীনতা পরবর্তী ধ্বংসস্তূপ থেকেই দেশকে অগ্রগতির পথে এগিয়ে নিতে এ পদক্ষেপ নেন তিনি। সেটা এতোই যুগোপযোগী যে, এতো বছর পরও সেটা মনে হয় এখনও অত্যন্ত সময়োপযোগী। তারি আলোকে আমরা ইতোমধ্যে ফোর্সেস গোল ২০৩০ প্রণয়ন করে আমাদের সেনাবাহিনীসহ সব বাহিনীর সার্বিক উন্নয়নে আধুনিকায়নে এবং যুগের সঙ্গে তারা তাল মিলিয়ে চলতে পারে, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা আমাদের বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছি।

রোববার সকালে সেনাবাহিনীর ১০টি ইউনিট/সংস্থাকে জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে সাভার সেনানিবাসে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন।

সেনাবাহিনীকে জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষা করে দেশমাতৃকার সেবায় আরও মনোনিবেশ করার তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনাবাহিনী দেশের সম্পদ ও মানুষের ভরসা ও বিশ্বাসের প্রতীক। তাই আপনাদের সবাইকে পেশাগতভাবে দক্ষ, সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে সৎ ও মঙ্গলময় জীবনের অধিকারী হতে হবে। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের চলতে হবে। আর আমাদের সশস্ত্র বাহিনী বা আমাদের সেনাবাহিনী এখন শুধু আর আমাদের দেশে সীমাবদ্ধ না। আমরা জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনেও অবদান রেখে যাচ্ছি। তাই আমি সবসময় চেয়েছি, আমাদের সেনাবাহিনী বা আমাদের সশস্ত্র বাহিনী সবসময় আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত সুপ্রশিক্ষিত একটি সেনাবাহিনী গড়ে উঠুক।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কথা মাথায় রেখে সবাইকে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান জানান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, কোভিড-১৯ এর এই সংকটময় সময়েও মানুষের কল্যাণে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। এবার ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট দিয়েছি। যেটা দেওয়া খুবই কঠিন ছিল। তবু আমরা দিয়েছি, তারপরও বলেছি যে অর্থ খরচের ব্যাপারে সবাইকে একটু সচেতন থাকতে হবে। কারণ করোনাভাইরাস যদি আবার ব্যাপক হারে দেখা দেয় তাহলে আমাদের প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হবে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দ্বিতীয় দফার করোনা মহামারী দেখা দেওয়ার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখনও করোনাভাইরাসের প্রভাব আছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে আরেকবার হয়তো এই করোনাভাইরাসের প্রভাব বা প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে। কারণ ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে আবার নতুন করে দেখা দিচ্ছে। আমাদের এখন থেকেই সবাইকে সুরক্ষিত থাকতে হবে। সেই সঙ্গে আমাদের খাদ্য উৎপাদন অব্যাহত রাখতে হবে।

– দৈনিক ঠাকুরগাঁও নিউজ ডেস্ক –