ব্রেকিং:
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসায় চলমান বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও একমাস বাড়ানো হয়েছে। তবে এ সময় খোলা থাকবে সব সরকারি-বেসরকারি অফিস আদালত।
  • বৃহস্পতিবার   ১৭ জুন ২০২১ ||

  • আষাঢ় ২ ১৪২৮

  • || ০৫ জ্বিলকদ ১৪৪২

সর্বশেষ:
দেশে জরুরি ব্যবহারে জনসনের টিকার অনুমোদন ‘পোশাক শিল্পের উৎপাদন অব্যাহত রাখতে ঋণ দিয়েছে সরকার’ পঞ্চগড়ে ২০০ বস্তা চাসহ ট্রাক আটক জিয়াউর রহমান হাজার হাজার গাছ কেটে ফেলেছিলেন- তথ্যমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘের জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান

১০ টাকা দিয়ে বাঁশের সেতু পার হয় রাণীশংকৈলবাসী 

– দৈনিক ঠাকুরগাঁও নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৩ সেপ্টেম্বর ২০২০  

ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈল উপজেলার রাউতনগর কুলিক ব্রিজ গুনছে অপেক্ষার প্রহর। নির্মাণের বছরই ভেঙে যায় ব্রিজটি। গত দুই যুগেও সংস্কার করা হয়নি। এরপর নির্মাণ করা হয় বাঁশ ও কাঠের সেতু। সেখান থেকে পার হতে জন প্রতি টোল দিতে হয় ১০ টাকা। আর এভাবেই বাঁশের সেতুতে টাকা দিয়ে ২৩ বছর ধরে পারাপার হচ্ছে রাউতনগর ও লেহেম্বা (বিরাশী) এলাকাবাসী।

জানা যায়, এ জনবহুল এলাকার মানুষের জন্য ১৯৮৬-৮৭ সালের দিকে একটি ১৫০ মিটারের ব্রিজ নির্মাণ হয়। ওই বছরেই বন্যায় ওই ব্রিজটি দুমড়ে-মুচড়ে ভেঙে যায়। আর এরপর মেরামত কিংবা নতুন ব্রিজ নির্মাণের কোনো উদ্যোগ নেয়নি কতৃপক্ষ।

রাউতনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি গোলাম রাব্বানী বলেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তর এ বিষয়ে নজর দিলেই ব্রিজটি নির্মাণ হবে।

রাউতনগর কুলিক নদীতে দেখা যায়, ভাঙা ব্রিজের দক্ষিণ পাশেই নিজ উদ্যোগে একটি বাঁশ ও কাঠের অস্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। এতে নদী পার হতে জন প্রতি নেওয়া হয় ১০ টাকা হারে। এখানকার মানুষের এভাবেই কেটে যাচ্ছে প্রায় দুইযুগ। বর্তমানে এ সেতুই দুই ইউনিয়নের মানুষের মিলিত হওয়ার একমাত্র মাধ্যম। সেতুর পূর্ব পাশে বিরাশী বাজারসহ একটি
মাদরাসা, চারটি বিদ্যালয় এবং পশ্চিম পাশে রাউতনগর বাজারসহ একটি কলেজ, দুইটি মাদরাসা ও তিনটি বিদ্যালয় রয়েছে।

এলাকার মানুষের অভিযোগ, ব্রিজের দুইপাশে দুটি বড় বাজার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকার ফলে এ এলাকার মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। প্রতিদিন এ অস্থায়ী ব্রিজে চলাচল করে প্রায় ৪ হাজারেরও অধিক মানুষ।

সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাহবুব আলম জানান, এ ব্রিজটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করছি। আশা করি হয়ে যাবে।

রাণীশংকৈর উপজেলা প্রকৌশলী তারেক বিন ইসলাম বলেন, এ ব্রিজটির বিষয়ে বিভাগীয় উন্নয়ন প্রকল্পে ধরে দেওয়া আছে। যেহেতু ১০০ মিটারেরও অধিক বড় কাজ টিম এসে মাপযোক করে নিয়ে গেছে। তবে কখন হবে আমি তা বলতে পারবো না।

– দৈনিক ঠাকুরগাঁও নিউজ ডেস্ক –