ব্রেকিং:
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসায় চলমান বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও একমাস বাড়ানো হয়েছে। তবে এ সময় খোলা থাকবে সব সরকারি-বেসরকারি অফিস আদালত।
  • বৃহস্পতিবার   ১৭ জুন ২০২১ ||

  • আষাঢ় ২ ১৪২৮

  • || ০৫ জ্বিলকদ ১৪৪২

সর্বশেষ:
দেশে জরুরি ব্যবহারে জনসনের টিকার অনুমোদন ‘পোশাক শিল্পের উৎপাদন অব্যাহত রাখতে ঋণ দিয়েছে সরকার’ পঞ্চগড়ে ২০০ বস্তা চাসহ ট্রাক আটক জিয়াউর রহমান হাজার হাজার গাছ কেটে ফেলেছিলেন- তথ্যমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘের জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান

২০৪১ সাল নাগাদ কর্মক্ষেত্রে সমান হবে নারী-পুরুষ: প্রধানমন্ত্রী   

– দৈনিক ঠাকুরগাঁও নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৬ মে ২০২১  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সাল নাগাদ কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ ৫০ শতাংশে উন্নীত করার অঙ্গীকার করেছেন। একই সঙ্গে তিনি নারীর সমতা ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অঙ্গীকার নবায়ন ও প্রচেষ্টা জোরদারেরও আহ্বান জানান। নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে উচ্চপর্যায়ের এক ভার্চুয়াল বৈঠকে তিনটি বিষয় তুলে ধরতে গিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৫তম বার্ষিক অধিবেশনের ফাঁকে ‘ফোর্থ ওয়ার্ল্ড কনফারেন্স অন উইমেন’-এর ২৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীর আয় এবং কর্মসংস্থানের মাধ্যমেই ক্ষমতায়ন সৃষ্টি হয়। তাই আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে নারীদের সম্পৃক্ত করার বিষয়টি অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি ২০৪১ সাল নাগাদ কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ ৫০ শতাংশে উন্নীত করার অঙ্গীকার করতে চাই।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মহামারির এই সময়ে নারীরা বৈষম্য এবং বেড়ে যাওয়া পারিবারিক সহিংসতার শিকার হচ্ছেন। এ কারণে নারীর ক্ষমতায়নে আমাদের কষ্টার্জিত অর্জন হুমকির মুখে।’ তিনি বলেন, ‘লিঙ্গসমতা ও নারীর ক্ষমতায়নে ১৯৯৫ সালের বেইজিং ডিক্লারেশন অ্যান্ড প্ল্যাটফর্ম ফর অ্যাকশন একটি বড় ধরনের রোডম্যাপ তৈরি করেছে। এটি নারীর প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাপকভাবে বদলে দিয়েছে এবং ইতিবাচক উন্নয়নের অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে।’

নারী ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের অসামান্য উন্নয়নের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্বাধীনতার পরপরই বঙ্গবন্ধু দেশের উন্নয়ন এজেন্ডার কেন্দ্রবিন্দুতে নারীদের বসিয়েছিলেন।’ তিনি আরো বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর অবিসংবাদিত নেতৃত্বে দেশে নারী-পুরুষ সমঅধিকারভিত্তিক একটি সংবিধান নিশ্চিত করা হয়।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নারীদের বাস্তবসম্মত প্রয়োজন পূরণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। আমাদের এই উন্নয়নে সমাজের সর্বস্তরের সব ধরনের মানুষকে অন্তর্ভুক্তির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এ জন্যই আমরা শিক্ষার পাশাপাশি নারীর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের ওপর জোর দিয়েছি। আমরা নারীদের আমাদের উন্নয়নের সক্রিয় কর্মী হিসেবে বিবেচনা করি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় ৩০ শতাংশ আসন নারীদের জন্য নির্ধারণ করে রাখা হয়েছে। আর জনসেবায় নারীর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর জন্য বিশেষ বিধান রাখা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘নারীরা এখন উচ্চ আদালতের বিচারক, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং আরো অনেক কিছু হয়ে উঠছেন।’ সূত্র : বাসস।

– দৈনিক ঠাকুরগাঁও নিউজ ডেস্ক –