• মঙ্গলবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১ ||

  • আশ্বিন ৫ ১৪২৮

  • || ১১ সফর ১৪৪৩

সর্বশেষ:
বাংলাদেশিদের জন্য থাইল্যান্ডের ভিসা চালু হচ্ছে সোমবার বিএনপিকে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না- কৃষিমন্ত্রী তুলাই নদীতে গতি ফিরলেও বিএনপির রাজনীতিতে ফেরেনি- প্রতিমন্ত্রী ধর্ষণের শিকার হয়ে বিয়ে ভেঙে গেল তরুণীর আর্থ-সামাজিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করবে হাইস্পিড রেল

সমুদ্র ছুঁয়ে রানওয়ে হতে যাচ্ছে কক্সবাজার বিমানবন্দরে

– দৈনিক ঠাকুরগাঁও নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০২১  

সমুদ্র থেকে শুরু হবে বিমান বন্দরের রানওয়ে। এক হাজার ৩শ' ফুট থাকবে সমুদ্রে। এটাই হবে দেশের সবচেয়ে দীর্ঘ রানওয়ে। আর এটা হতে যাচ্ছে সমুদ্রশহর কক্সবাজার বিমানবন্দরে।

বর্তমানে এই বিমানবন্দরে ৯ হাজার ফুট দীর্ঘ একটি রানওয়ে রয়েছে। এটিকে ১০ হাজার ৭শ ফুটে উন্নীত করার কাজ শুরু হবে। আগামীকাল ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের দীর্ঘতম এই রানওয়ের সমুদ্রে সম্প্রসারণ কাজের উদ্বোধনের কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।

কক্সবাজার বিমানবন্দরে প্রতিদিন বিমান বাংলাদেশ, ইউএস-বাংলা, নভোএয়ার এবং কয়েকটি কার্গো প্রতিষ্ঠানের ছোট এয়ারক্রাফট ওঠা-নামা করে। এই রানওয়েকে বর্ধিত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সম্প্রসারিত হয়ে এর দৈর্ঘ্য হবে ১০ হাজার ৭শ' ফুট। এরমধ্যে এক হাজার ৩শ' ফুট থাকবে সমুদ্রের মাঝে।

সমুদ্রের নীল জলের ঠিক ওপরেই উড়োজাহাজটি অবতরণের প্রস্তুতি নেবে। রানওয়ে স্পর্শ করার তিন সেকেন্ড আগে সেটি বিমানবন্দরে প্রবেশ করবে। উপকূলীয় শহরে অবস্থিত দৃষ্টিনন্দন বিমানবন্দরগুলোর মধ্যে অন্যতম হবে এই বিমানবন্দর। 

সমুদ্র ছুঁয়ে থাকা এটা হবে দেশের সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন রানওয়ে। বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মোকাম্মেল হোসেন বলেন, বর্তমানে কক্সবাজার বিমানবন্দরে ৯ হাজার ফুট দীর্ঘ একটি রানওয়ে রয়েছে। এটি ১০ হাজার ৭০০ ফুটে উন্নীত করার কাজ চলছে। এর মধ্যে এক হাজার ৩০০ ফুট থাকবে সমুদ্রের মধ্যে। কক্সবাজার বিমানবন্দরের মহেশখালী চ্যানেলের দিকে জমি অধিগ্রহণের মাধ্যমে সম্প্রসারিত হচ্ছে এই রানওয়ে।

কক্সবাজার বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, দেশের প্রথম সবচেয়ে বড় রানওয়ে হতে যাচ্ছে কক্সবাজার বিমানবন্দরের। এই রানওয়ে হলে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিমানও এখানে নামতে পারবে। কক্সবাজার বিমানবন্দরের বর্তমান রানওয়ে ৯ হাজার ফুট। যেটি বর্ধিত হয়ে হবে ১০ হাজার ৭০০ ফুটে। যা বাংলাদেশে প্রথম সবচেয়ে বড় রানওয়ে। এখানে বড় বড় বোয়িং এবং বিশ্বে বড় বড় বিমানগুলোও এই রানওয়েতে নামতে পারবে। আশা করছি, আগামী বছরই কক্সবাজার বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে যাত্রা শুরু করবে।

পুরো প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা সহজে যাতায়াতসহ সময়োপোযোগী সুবিধা পাবেন। 

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিকমানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন উন্নয়নকাজ চলমান আছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বিমানবন্দরের উন্নয়ন। চলমান কাজ সম্পন্ন হলে রানওয়ের আয়তন বাড়বে, অত্যাধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন হবে বিমানবন্দর। আশা করছি, পুরো প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হবে। দেশি-বিদেশি পর্যটকরা কক্সবাজারে সহজে যাতায়াতসহ নানাবিধ সুবিধা ভোগ করবেন।

সাগরে থেকে ভূমিতে- এই রানওয়ে নির্মাণে খরচ হবে ১ হাজার ৫শ ৬৯ কোটি টাকা।

– দৈনিক ঠাকুরগাঁও নিউজ ডেস্ক –