ব্রেকিং:
করোনাভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়া আগামী দুই সপ্তাহের স্কুল কলেজ বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক
  • শুক্রবার   ২১ জানুয়ারি ২০২২ ||

  • মাঘ ৮ ১৪২৮

  • || ১৬ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

সর্বশেষ:
আগামী দুই সপ্তাহের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা চলতি অধিবেশনেই নির্বাচন কমিশন আইন পাসের চেষ্টা থাকবে: আইনমন্ত্রী নিবন্ধনবিহীন আইপিটিভি বন্ধে জেলা প্রশাসকদের প্রতি নির্দেশ তথ্যমন্ত্রীর র‌্যাবের প্রতি অবিচার করা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিক্রিয়াশীলরা বাংলাদেশকে নিজের দেশ মনে করে না: পরিকল্পনামন্ত্রী

সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার

– দৈনিক ঠাকুরগাঁও নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৭ ডিসেম্বর ২০২১  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণে সরকারের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন, দেশবাসীর শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে জাতির পিতার স্বপ্নের উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, নারী নির্যাতন, মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছি। কারণ দেশের মানুষের শান্তি, নিরাপত্তা আমরা নিশ্চিত করতে চাই।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন ও মহান বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘মহাবিজয়ের মহানায়ক’ শীর্ষক দুইদিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনী পর্বে সভাপতির ভাষণে এসব কথা বলেন তিনি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয় যৌথভাবে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ প্রধান অতিথি এবং ভারতের রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কোবিন্দ সম্মানিত অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন। জাতির পিতার ছোট মেয়ে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানা মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলার মুক্তির সংগ্রামে সার্বিক সহায়তার জন্য ভারতের অবদানের কথা পুনরায় স্মরণ করে শেখ হাসিনা সুবর্ণজয়ন্তীর এই উদযাপনে অংশগ্রহণের জন্য ভারতের রাষ্ট্রপতির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

তিনি বলেন, ভারতের মহামান্য রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কোবিন্দ সম্মানিত অতিথি হিসেবে এই গৌরবগাঁথার দিনে আমাদের মধ্যে উপস্থিত হয়েছেন। আমি তার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

ভারতীয় রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে স্বাগত জানান। শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সমন্বয়ক ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী স্বাগত বক্তৃতা করেন।

করোনার কারণে এর আগে না পারলেও আজ বিজয়ের উৎসব ব্যাপকভাবে দেশব্যাপী উদযাপিত হওয়ায় দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

জাতির পিতার রেখে যাওয়া স্বল্পোন্নত দেশ থেকে আজ উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পেয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ করাই তার লক্ষ্য এবং আজ স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি হলো। এই সময়ে আমরা কতটুকু এগোতে পেরেছি সেটাই বড় কথা।

তিনি বলেন, তার সরকার দারিদ্রের হার ৪০ ভাগ থেকে ২০ ভাগে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। মাথাপিছু আয় দুই হাজার ৫৫৪ ডলারে উন্নীত হয়েছে। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি দেশের প্রতিটি গৃহহীনকে ঘর করে দেওয়ার কর্মসূচি সরকার অব্যাহত রেখেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরে জাতির পিতার পররাষ্ট্র নীতি ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়,’ অনুসরণ করেই সব দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে।

তিনি বলেন, জাতির পিতার সেই পররাষ্ট্র নীতি মেনেই সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রেখে আমরা আমাদের উন্নয়নের চাকাকে সচল রেখেছি।

বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ দেশে সব ধর্মের মানুষ সমানভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারে এবং আমরা সেটা নিশ্চিত করেছি।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০২১ সাল নাগাদ মধ্যম আয়ের বাংলাদেশ গড়ার যে লক্ষ্য ছিল, তার সরকার উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা লাভের মধ্য দিয়ে সেটা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এখন লক্ষ্য ২০৪১ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলা।

– দৈনিক ঠাকুরগাঁও নিউজ ডেস্ক –