• শনিবার   ১৬ অক্টোবর ২০২১ ||

  • আশ্বিন ৩০ ১৪২৮

  • || ০৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

সর্বশেষ:
পূজামণ্ডপে অরাজকতা সৃষ্টির অপচেষ্টাকারীরা পার পাবে না- প্রধানমন্ত্রী ‘কোনো সুস্থ ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি অন্য ধর্মে আঘাত করতে পারে না’ নির্বাচন সামনে রেখে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির মাথাচাড়া- কাদের মণ্ডপে মণ্ডপে বেজে উঠেছে বিদায়ের সুর কারিগরি ত্রুটির কারণে মোবাইল অপারেটরে ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিত

রাণীশংকৈলে ধানক্ষেত থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার   

– দৈনিক ঠাকুরগাঁও নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৯ অক্টোবর ২০২১  

ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈল পৌর শহরের ভান্ডারা পাচঁপীর কবরস্থানের দক্ষিন পাশের এক ধান খেত থেকে শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় দূগর্ন্ধযুক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

নিহত যুবক হলেন ঐ এলাকার শহিদুল ও আলেফা দম্পতির একমাত্র পুত্র আলেফ রহমান(২১)। সে একই এলাকার সিরাজুলের ইলেকট্রনিক দোকানে মালামাল সরবারহকারীর চাকরি করতেন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছেন রাণীশংকৈল সার্কেল এএসপি হোসেন থানা পরির্দশক এসএম জাহিদ ইকবাল পিবি আই সহকারি পুলিশ সুপার এবিএম রেজাউল ইসলাম ও সিআইডি’র এস আই মিল্লাত হোসন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

 নিহত আলেফের মা আলেফা পারভীন তার ছেলেকে হত্যা করে এখানে ফেলে রাখা হয়েছে দাবী করে পুলিশের কাছে এর সঠিক তদন্তসহ সুষ্ঠ বিচার চান।

স্থানীয়রা জানায়, নিহত আলেফ নেশাগ্রস্থ ছিলেন, কিছুদিন আগে সে জেল থেকে বেরিয়ে সিরাজুলের দোকানে মালামাল সরবারহকারীর চাকুরী নেন। তবে নেশা সে ছাড়তে পারেনি।

নিহত আলেফের বাবা শহিদুল ঘটনাস্থলেই সাংবাদিকদের জানান, আমার ছেলে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে বাড়ীতে নেই। তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেছি কোথাও পায়নি। আজ সকাল ১১টায় এই ধান খেতে ধান কাটার সময় শ্রমিকরা একটি মরদেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার দেয়। পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে মরদেহের মুখ দেখে শনাক্ত করে।

তিনি দাবী করেন তার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। তাকে কে হত্যা করেছে এবং কারা এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত তাদের খুজে বের করার জন্য উপস্থিত পুলিশদের তিনি অনুরোধ করেন।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার ছেলে দুবার গাড়ী এক্সিডেন্ট করেছে যাদের গাড়ী নিয়ে এক্সিডেন্ট করেছে তারাই এই ঘটনা ঘটাতে পারে। তবে কারা সেই ব্যক্তি তার নাম তিনি প্রকাশ করেননি।

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে নিহতের মা আলেফা পারভীন বলেন, আমার ছেলে নেশা করতো। এক সময় করতো জেল থেকে বেরিয়ে চাকুরী নিয়ে সে ভালো হয়ে গিয়েছিল।

থানা পরির্দশক এস এম জাহিদ ইকবাল(ওসি) বলেন, মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল তৈরী করা হয়েছে। কী কারণে হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হয়েছে, তা পরিষ্কার নয়। তবে মরদেহের ময়না তদন্ত হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানানো হবে। এবিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

– দৈনিক ঠাকুরগাঁও নিউজ ডেস্ক –