• মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৩ ১৪৩১

  • || ১০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

হজ ও ওমরার ফজিলত

– দৈনিক ঠাকুরগাঁও নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৮ মে ২০২৩  

মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তাআলার কাছে হজ ও ওমরার ফজিলত অসীম ঐ ব্যক্তির জন্য যে তার নিয়তকে আল্লাহর জন্য খালেস করে নেবে এবং পবিত্র কোরআনুল কারিম সুন্নাহ মোতাবেক হজ ও ওমরার সব কাজ সমাধা করবে।

আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন-

‎‫من أتى هذا البيتَ فَلَمْ يَرَفْتُ وَلَمْ يَفْسُقُ رَجَعَ‬‎ ‎‫كما ولدته أمه»‬‎

অর্থ: ‘যে ব্যক্তি এ ঘরে আগমন করল এবং কোনো অশালীন আচরণ করেনি ও পাপকাজে লিপ্ত হয়নি (হজ শেষে) সে ঐরূপ হয়ে ফিরে যাবে যে রূপ তার মা তাকে প্রসব করেছিল’। (সহিহ বুখারী, হাদিস নম্বর ৫৮০৯ ও সহিহ মুসলিম, হাদিস নম্বর ৩৩৫৭)

অর্থাৎ সে এমন অবস্থায় ফিরে যাবে যে, তার সব পাপ মাফ করে দেওয়া হয়েছে, ঐ শিশুর ন্যায় যে কোনো পাপ বা অন্যায় করেনি। (সহিহ বুখারী, হাদিস নম্বর ৫৮০৯ ও সহিহ মুসলিম, হাদিস নম্বর ৩৩৫৭)

আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে আরো বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন-

‎‫«الْعُمْرَةَ إِلَى الْعُمْرَةِ كَفَّارَةً لِمَا بَيْنَهُمَا وَالْحَجُ‬‎ ‎‫المبزوز ليس له جزاء إلا الجنة»‬‎

‘এক ওমরাহ থেকে আরেক ওমরাহ পালন এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সময়ে কৃত পাপের কাফফারা হয়ে থাকে। আর পূণ্যময় হজের পুরস্কার জান্নাত ছাড়া আর কিছুই নয়’। (সহিহ বুখারি, হাদিস নম্বর ১৭৭৩ ও সহিহ মুসলিম, হাদিস নম্বর ৩৩৫৫)

প্রিয় মুসলিম ভাই! পূণ্যময় হজ হলো সে হজ যাতে কোনো প্রদর্শনেচ্ছা (রিয়া) ও প্রসিদ্ধি লাভের লোভ নেই এবং যা পাপ ও ফিসক্ মিশ্রিত নয়। আর তা এমন- হজ পালনকারী যার সব কাজ পরিপূর্ণভাবে সমাধা করেছে, যেমনটি আল্লাহ তাআলা ও তার রাসূল (সা.) নির্দেশ দিয়েছেন’। (সহিহ বুখারি, হাদিস নম্বর ১৭৭৩ ও সহিহ মুসলিম, হাদিস নম্বর ৩৩৫৫)

– দৈনিক ঠাকুরগাঁও নিউজ ডেস্ক –