• মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ২১ ১৪৩০

  • || ২৩ শা'বান ১৪৪৫

সর্বশেষ:
ভবন নির্মাণে বিল্ডিং কোড অনুসরণ নিশ্চিত করুন: প্রধানমন্ত্রী কোনো অজুহাতেই যৌন নিপীড়ককে ছাড় নয়: শিক্ষামন্ত্রী স্পর্শকাতর মামলার সাজা নিশ্চিত করতে হবে: আইজিপি চলতি মাসেই একাধিক কালবৈশাখীর শঙ্কা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দেশদ্রোহীরা মানুষকে কষ্ট দেয়: নাছিম

তিন মহাদেশ আর ছয় দেশে হবে ২০৩০ ফুটবল বিশ্বকাপ

– দৈনিক ঠাকুরগাঁও নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২৩  

আজ থেকে মাঠে গড়াবে ক্রিকেট বিশ্বকাপের ১৩তম আসর। এরই মধ্যে আরেকটি ঘোষণা এসেছে বুধবার (৪ অক্টোবর)। ২০৩০ বিশ্বকাপের আয়োজক দেশের নাম জানিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (ফিফা)। এ আসর দিয়েই শতবর্ষে পা রাখবে ফুটবল বিশ্বকাপ।

বুধবার (৪ অক্টোবর) ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো আয়োজক দেশের নাম ঘোষণা করেন। প্রথমবারের মত ২০৩০ বিশ্বকাপে থাকবে ভিন্ন ভিন্ন মহাদেশ। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফিফা প্রেসিডেন্ট জিওভান্নি ইনফান্তিনো বলেন, ২০৩০ সালে আমাদের অনন্য এক বৈশ্বিক পদচিহ্ন থাকবে।

এরপর তিনি বলেন, তিনটি মহাদেশ-আফ্রিকা, ইউরোপ এবং দক্ষিণ আমেরিকা; ছয়টি দেশ-আর্জেন্টিনা, মরক্কো, প্যারাগুয়ে, পর্তুগাল, স্পেন এবং উরুগুয়ে। যেখানে বিশ্বকাপের শতবর্ষে স্বাগত জানানো হবে এবং একসঙ্গে সুন্দর খেলাটি উদ্‌যাপনের সময় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করা হবে।

উল্লেখ্য, ফিফা এটিও নিশ্চিত করেছে ২০৩৪ বিশ্বকাপের জন্য শুধু এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন এবং ওশেনিয়া ফুটবল কনফেডারেশনের দেশগুলোকেই বিবেচনা করবে। এতে করে ধারণা করা হচ্ছে, ২০৩৪ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ আয়োজন করতে পারে সৌদি আরব।

২০২২ বিশ্বকাপের এক বছর এখনো যায়নি। এরই মধ্যে ২০২৬ বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের লড়াইয়ের জন্য মাঠে নেমে পড়েছে দলগুলো। সবার আগে লাতিন আমেরিকার দলগুলো মাঠে নেমেছে। সেখানে তারা এরই মধ্যে ২টি করে ম্যাচও খেলে ফেলেছে।

চলতি মাসে আরো দুটি করে ম্যাচ খেলবে তারা। এরই মধ্যে সুখবর পেয়েছে লাতিন আমেরিকার তিনটি দেশ। ফিফার যে ঘোষণায় ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশ নেয়ার আগেই নিশ্চিত হয়ে গেছে ২০৩০ ফুটবল বিশ্বকাপে তাদের খেলা। 

ফিফার ঘোষণা অনুযায়ী ২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপের আয়োজক হবে মোট ৬ দেশ। তারা হলো- স্পেন, পর্তুগাল, মরক্কো, উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা এবং প্যারাগুয়ে। ফিফার এমন যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের অবশ্য কারণও আছে।

২০৩০ বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য আফ্রিকার দেশ মরক্কো ফিফার কাছে আবেদন করে। এর আগে তারা বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য ৫ বার আবেদন করে। প্রতিবারই তারা আশাহত হয়। তবে এবার তারা ফিফার অদ্ভূত সিদ্ধান্তের কারণে আয়োজক দেশ হিসেবে মর্যাদা পেয়েছে।

তবে তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পর্তুগাল এবং স্পেনও। বিশ্বকাপ আয়োজনে তারা ছিল বড় দাবিদার। দুই মহাদেশ হলেও এতে সাড়া দিয়েছে ফিফা। তবে অপর পক্ষের যুক্তিও ছিল আরো জোরালো। ২০৩০ সালের আসরটি হবে বিশ্বকাপের শতবর্ষ পূর্তি।

আর তাই তো এমন ঐতিহাসিক আয়োজনের সাক্ষী অংশ হতে চেয়েছিল উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা এবং প্যারাগুয়ে। কেননা ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল লাতিন আমেরিকার দেশ উরুগুয়ে। সেই আসরে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপও হয়েছিল লাতিনের দুই দেশ।

সেবার চ্যাম্পিয়ন ছিল উরুগুয়ে, আর রানার্সআপ ছিল আর্জেন্টিনা। তাই বিশ্বকাপ আয়োজনের বড় দাবিদার ছিল তারাও। আর প্যারাগুয়ে দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল সংস্থা কনমেবল এর ঘরবাড়ি হিসেবে পরিচিত। 

তাই ফিফা সবকিছু বিবেচনা করে শেষ পর্যন্ত কাউকে নিরাশ করেনি। বিশ্বকাপের শতবর্ষ পূর্তিতে তাই ৬ দেশকেই দেয়া হয়েছে আয়োজনের দায়িত্ব। যেখানে উদ্বোধনীসহ প্রথম তিনটি ম্যাচ হবে দক্ষিণ আমেরিকায়। এরপর টুর্নামেন্ট চলে যাবে ইউরোপ এবং আফ্রিকায়। ৬ দেশের প্রত্যেকেই আয়োজক হিসেবে সরাসরি বিশ্বকাপে অংশ নেয়ার সুযোগ পাবে।

– দৈনিক ঠাকুরগাঁও নিউজ ডেস্ক –